বিশ্বকাপ ২০২৩ থেকে ছিটকে গেল পাকিস্তান, খালি হাতেই দেশে ফিচতে হচ্ছে বাবর-রিজওয়ানদের !!

ব্রিটিশরা কখনো ভারত পাকিস্তান কে একসাথে থাকতে দেয়নি। তাহলে তাদের মুখোমুখি ওয়ার্ল্ড কাপ সেমিফাইনাল খেলতে দেবে, একি হয়? না, সত্যিই তা হলো না। পাকিস্তান পারলো না ইংল্যান্ড কে ২৮৭ রানের ব্যবধানে হারাতে। আবার খানিকটা বলা চলে তারা চেষ্টাও বোধ হয় করেনি হারানোর যার আঁচ কিছুটা তাদের ম্যাচ পূর্ববর্তী অনুশীলন থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। আসলে, সত্যি বলতে কি পাকিস্তান যে ইংল্যান্ড কে ২৮৭ রানের বিরাট ব্যবধানে হারাতে চায় তা তাদের ম্যাচ পূর্ববর্তী টেনে টুনে মাত্র দেড় ঘন্টার অনুশীলন দেখে বোঝার উপায় ছিলো না। এমনকি তাদের সেরা ব্যাটার তথা স্কিপার বাবর আজম তো অনুশীলনে ব্যাটে হাত অবধি স্পর্শ করেননি। যা দেখেই সকল ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের ধারণা হয়েছিলো যে পাকিস্তান বুঝি তার প্রতিবেশী দেশের সাথে সেমিফাইনাল খেলার থেকে লাহোর এয়ারপোর্টে পৌঁছতে ব্যাকুল বেশি। আর ব্রিটিশ রাজ ভারত পাকিস্তান কে একসাথে থাকতে দিয়েছেই বা কবে, যার অন্যথা লিগের দ্বিতীয় শেষ ম্যাচেও হলো না।

ইংল্যান্ড পাকিস্তান ম্যাচ এর কাহিনী

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড কলকাতার ইডেন গার্ডেনে প্রথমে ব্যাট করে 337 রান করে এবং বিশ্বকাপ 2023 সেমিফাইনালে যোগ্যতা অর্জনের আশায় মাত্র 6.4 ওভারে লক্ষ্য তাড়া করতে পাকিস্তান টিমকে প্রায় অলৌকিক একটি কাজ দেয় ভূত-চতুর্দশীর দিনে।

বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের সেমিফাইনালের যোগ্যতা অর্জনের আশা প্রথমেই ভেঙ্গে যায় যখন তারা টস হেরে প্রথমে বল করতে বাধ্য হয়। প্রথমে ব্যাট করলে হয়তো পাকিস্তানের নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকতো,  কিন্তু টস ব্রিটিশ বাহিনীর পক্ষে ছিল, যারা আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি 2024 যোগ্যতা অর্জন করেনিল।

পাকিস্তানকে লাহোরে ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে, নিউজিল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থান নিশ্চিত করেছে। কিউইরা 15 নভেম্বর মুম্বাইতে প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচে টুর্নামেন্টের আয়োজক এবং ফর্মে থাকা ভারতের মুখোমুখি হবে এবং 16 নভেম্বর কলকাতায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।