IND vs BAN: বিরাট বিক্রমে চলতি বিশ্বকাপের চতুর্থ জয় লাভ করলো টিম ভারত। জয়ের ধারা ক্রমাগত বজায় রেখে এগিয়ে চলেছে তারা। অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এর পর এই দিন পালা ছিলো বেঙ্গল টাইগার দের। যাদের গর্জন উপেক্ষা করে বীরত্বের সাথে খাঁচা বন্দী করেছেন বিরাট কোহলি ও বাকি ভারতীয় ক্রিকেটাররা।
বিরাট কোহলির অপরাজিত 103 রানের ফলে ভারত বৃহস্পতিবার পুনেতে বাংলাদেশকে সাত উইকেটে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপে চারটির মধ্যে চারটি জিতেছে।
বাংলাদেশ , 257 রানের লক্ষ্য রেখেছিল, ভারত 42 ওভারের মধ্যে 261-3-এ শেষ করে। কোহলি স্পিনার নাসুম আহমেদের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তার শতরান ছুঁলেন আর সাথেই ভারতের জয় প্রাপ্ত হলো।
রোহিত এবং শুভমান আক্রমণাত্মক মোডে এবং বাংলাদেশি বোলারদের আঘাত করার সাথে সাথে ভারত দৃঢ়ভাবে রান তাড়া শুরু করে। আরও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেন বিরাট কোহলি। 19 অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

মন্থর সূচনা সত্ত্বেও, বাংলাদেশের ওপেনাররা গতি বাড়ায় এবং 17.2 ওভারে 100 রান করে। যাইহোক, সেখানে উইকেট পড়তে শুরু করে কারণ ভারতীয় বোলাররা উইকেট তুলতে শুরু করেন। কুলদীপ যাদব থেকে শুরু করে রবীন্দ্র জাদেজা পর্যন্ত দায়িত্ব সেরা ভাবে পালন করেন। ব্যাটিং পিচে উইকেট নিজেদের নাম করতে তারা পিছপা হননি।
বাংলাদেশের পক্ষে তানজিদ হাসান (৫১), লিটন দাস (৬৬), মুশফিকুর রহিম (৩৮) এবং মাহমুদুল্লাহ (৪৬) গুরুত্বপূর্ণ রান করেন এবং দলকে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৫৬ রানে নিয়ে যান। ভারতের পক্ষে রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ সিরাজ ও জাসপ্রিত বুমরাহ ২টি করে এবং শার্দুল ঠাকুর ও কুলদীপ যাদব একটি করে উইকেট নেন।
যা এই প্রতিযোগিতাকে বিশেষভাবে বিদ্যুতায়িত করে তোলে তা হল দুটি দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক ট্র্যাক রেকর্ড। যদিও ভারত ঐতিহাসিকভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছে – 40টি ওডিআই ফেস অফের মধ্যে 31টিতে জিতেছে – কেউ বাংলাদেশের উন্নতির ফর্মকে উপেক্ষা করতে পারে না। তারা ভারতের বিপক্ষে তাদের শেষ চার ম্যাচের তিনটিতে জয় পেয়েছে, ‘আপসেট’-এর প্রতিষ্ঠিত বর্ণনাকে চ্যালেঞ্জ করে।
বিরাট কোহলির ৪৮তম ওয়ানডে সেঞ্চুরী
এদিনের বিরাট কোহলির ইনিংস দেখে আপনার হয়তো কিং খানের সিনেমার একটি ডায়লগ মনে পরে যেতে পারে। “কিসি চিস কো পুরে দিল সে চাহো তো পুরি কায়ানাথ তুমে উসসে মিলানে কি কসিস মে লাগ জাতি হেই”। যেনো এটারই বাস্তবায়িত রূপ দেখলো এদিনের ম্যাচের দর্শক গণ।
ম্যাচের আম্পায়ার থেকে শুরু করে ব্যাটিং পার্টনার লোকেশ রাহুল অবধি অংশগ্রহণ করলেন বিরাটের সেঞ্চুরী হতে। যখন ভারতের জিততে আর মাত্র ২০ রান বাকি, তখন রাহুল ছিলেন ৩৪ রানে। আর বিরাট ৮০। হয়তো স্ট্রাইক সঠিক ভাবে নিলে রাহুল নিজে তার হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারতেন। তবে তিনি বেশিরভাগ সময়েই কোহলি কে স্ট্রাইক দিয়েছেন। শেষে দেখা গেলো একটি বলে ওয়াইড হওয়া সত্ত্বেও আম্পায়ার সেটি দিলেন না। কারণ তখন কোহলির সেঞ্চুরি আর ভারতের জয়ের জন্য দরকার মাত্র চার রান। অবশেষে কিন কোহলি ছয় মেরে নিজের সেঞ্চুরী এবং ভারতের জয় উভয়ই পূর্ণ করলেন। তবে এই ক্ষেত্রে রাহুলের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি সত্যিই একজন দুর্দান্ত স্পোর্টস ম্যান হওয়ার সাথে সাথে একজন উদার মনের মানুষও।

ভারতের ফাইনাল একাদশ
রোহিত শর্মা (c), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, কেএল রাহুল (ডব্লিউকে), হার্দিক পান্ড্য, রবীন্দ্র জাদেজা, শার্দুল ঠাকুর, জাসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব এবং মোহাম্মদ সিরাজ।
বাংলাদেশ ফাইনাল একাদশ
তানজিদ হাসান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত (c), নাসুম আহমেদ, তৌহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম (ডব্লিউকে), মেহেদী হাসান মিরাজ, মাহমুদউল্লাহ, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।

আরও খবর
টিকিট না পেয়ে আচমকা ইস্তফা দিলেন সায়ন্তিকা বন্দোপাধ্যায় !!
বাংলার ৮টি আসনে সিএএ-র জাদু, মোদি সরকারের মাস্টার স্ট্রোকে পরাজিত সব !!
প্রধানমন্ত্রী উন্মোচন করলেন ১০টি নতুন বন্দে ভারতের পতাকা, সহজ হলো এইসব রাজ্যে ভ্রমণ !!