“আমি মালালা ইউসুফজাই নয়, আমি স্বাধীন ভারতে থাকি..” বললেন প্রথম কাশ্মীরি মহিলা ব্লগার ইয়ানা মীর!!

“আমি মালালা ইউসুফজাই নই। আমি মালালা ইউসুফজাই নই, কারণ আমাকে কখনই আমার দেশ থেকে পালাতে হবে না। আমি স্বাধীন, আমি নিরাপদ, আমার দেশে, ভারতে, কাশ্মীরে, আমার বাড়িতে, যা ভারতের অংশ।”

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ঠিক এই কথা বলেছেন ইয়ানা মীর। তবে কে কেই ইয়ানা মীর? জেনে নিন আপনিও। তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের একজন সাংবাদিক এবং কাশ্মীরের প্রথম মহিলা ভ্লগার। ইয়ানাকে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট আয়োজিত ‘রেজোলিউশন ডে’-তে সম্মানিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর স্টাডি সেন্টার, যুক্তরাজ্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। অনুষ্ঠানে ইয়ানাকে ডাইভারসিটি অ্যাম্বাসেডর অ্যাওয়ার্ডও দেওয়া হয়।

মালালা ইউসুফজাই কে?

পাকিস্তানের নোবেল বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই ২০১২ সালের অক্টোবরে স্কুলে যাচ্ছিলেন। এরপর এক তালেবান চরমপন্থী মালালাকে গুলি করে। তখন মালালার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। হামলার পর মালালা যুক্তরাজ্যে চলে যান। পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ২০১৪ সালে, মালালা নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। মালালা এই পুরস্কারে সম্মানিত সর্বকনিষ্ঠ নারী হয়েছেন। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ,১৭ বছর। বর্তমানে তিনি এখন মানবাধিকার এবং মেয়েদের শিক্ষার বিষয়ে তার আওয়াজ তুলেছেন।

ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিষয়ে ইয়ানা নিজের এবং মালালার মধ্যে পার্থক্য ব্যাখ্যা করেছেন এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেছেন,

“মালালা ইউসুফজাইকে নিয়ে আমার আপত্তি আছে। আপনারা আমার দেশকে, আমার মাতৃভূমিকে ‘নিপীড়িত’ আখ্যা দিয়ে অপমান করছেন। সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিদেশী মিডিয়াতে এই ধরনের সমস্ত ‘টুলকিট সদস্যদের’ নিয়ে আমার আপত্তি আছে। যিনি কখনই ভারতীয় কাশ্মীরে যাননি, কিন্তু সেখান থেকে ‘নিপীড়নের’ গল্প তৈরি করেছেন।”

ইয়ানা মীর জম্মু ও কাশ্মীর যুব সমাজের সাথেও যুক্ত। ইয়ানার বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। মানুষ তার বক্তব্যের প্রশংসা করছে।