ফাঁস এর চেষ্টা  উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্ন, পরীক্ষা করা হলো বাতিল !! 

পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষা বোর্ডের সর্বোচ্চ পরীক্ষা অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলতি বছর ২০২৪এর ১৬ই ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। এবং এটি চলবে ২৯শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রায় প্রত্যেক বছরই মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাই এই বছর বিশেষ কড়া নজরদারি দেওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। পরীক্ষার হলে দুইটি করে ক্যামেরা থাকবে এমন কথাও শোনা যায়। কিন্তু এত কড়া নজরদারি কেও বুড়ো আঙ্গুল দেখালো এক পরীক্ষার্থী!

উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম ভাষার পরীক্ষার দিনেই ঘটলো এমন কাণ্ড যা ঘটার হয়তো উচিত ছিলো না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে তুলনা করা হয় মন্দিরের সাথে। আর শিক্ষার্থীরা হলো  শিক্ষার পূজারী। কিন্তু সেই পরীক্ষার হলেই পরীক্ষা দিতে গিয়ে ছাত্ররা ঘটিয়ে বসালো এক কাণ্ড।

আসলে হয়েছে কি বেলঘরিয়ারর এক পরীক্ষা কেন্দ্রে উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম ভাষার পরীক্ষার দিনে প্রশ্ন পত্র ফাঁসের চেষ্টা ঘটে। স্কুল এর পক্ষ থেকে জানা গেছে এক পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের ছবি  তুলে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনা সংসদের নজরে আসতেই পরীক্ষার্থীকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্কুলের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর এদিনের পরীক্ষা তো বটেই, এবছরের মতোই পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কাজে লাগবে পরীক্ষার্থীদেরই

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছ থেকে প্রস্তাব এসেছে উচ্চমাধ্যমিক  পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে গেলে হুইসেল ব্লোয়ারের কাজ করতে হবে পরীক্ষার্থীদেরই। আসলে তারা বলতে চাইছেন যে কোন বন্ধুর পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন নিয়ে  প্রশ্নর ছবি তুলবে , বা অন্য কোনো রকম অসাধু উপায় অবলম্বন করবে সেই খবর বন্ধুমহলে  আগে থেকেই ছড়িয়ে পরে। তাই পরীক্ষার্থীরাই পারবে প্রশ্নর ফাঁস ঠেকাতে। অসাধু উপায়ের খোঁজ পেলেই হুইসেল বাজাবে পড়ুয়ারা। আর তাতেই ঠেকানো যাবে অসাধু উপায়। আর সেই অসাধু উপায় ঠেকানো গেলেই সাহায্যকারী পরীক্ষার্থী কে পুরস্কৃত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।