নবমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী  পদে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার !! 

বিহারের একটি বড় রাজনৈতিক উন্নয়ন। নীতীশ কুমারের পদত্যাগের মাধ্যমে মহাজোট সরকারের অবসান ঘটে। এবং সাথেই নীতীশ কুমার ৯মবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। নীতীশ কুমারের পাশাপাশি শপথ নিয়েছেন সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহাও। উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহাকে। একই সময়ে ড. প্রেম কুমার (বিজেপি), বিজয় কুমার চৌধুরী (জেডিইউ), বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব (জেডিইউ), শ্রাবণ কুমার (জেডিইউ), সন্তোষ কুমার সুমন (ডব্লিউই), সুমিত কুমার সিং (স্বতন্ত্র) শপথ নিয়েছেন বিভিন্ন মন্ত্রী পদে।

  • বিহারের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকার নীতীশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান।
  • বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরী।
  •  বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিজয় কুমার সিনহা।
  •  নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেডিইউ-র বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব।
  •  নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেডিইউ-এর বিজয় কুমার চৌধুরী।
  • নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জেডিইউ-এর শ্রাবণ কুমার।
  •  হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (ধর্মনিরপেক্ষ) এর সভাপতি ড. সন্তোষ কুমার সুমন নীতিশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
  •  নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন স্বতন্ত্র বিধায়ক সুমিত কুমার সিং।

 সম্রাট চৌধুরী কে?

সম্রাট চৌধুরীকে গত বছরই বিহারের রাজ্য সভাপতি করে বিজেপি। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। তিনি ১৯৬৮ সালের ১৬ই নভেম্বর মুঙ্গেরের লক্ষনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সম্রাট চৌধুরী শকুনি চৌধুরীর ছেলে। শকুনি চৌধুরী সমতা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। বিহার বিজেপির রাজ্য সভাপতি হওয়ার আগে সম্রাট চৌধুরী বিহার বিধান পরিষদে বিরোধী দলের নেতা ছিলেন।

বিজয় সিনহা কে?

বিজয় সিনহা, যিনি ভূমিহার সম্প্রদায় থেকে এসেছেন, তিনি বিজেপির একজন সুপরিচিত নেতা। মহাজোটের আগে, যখন বিহারে এনডিএ সরকার ছিল, বিজয় সিনহা বিহার বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন। নীতীশ কুমার এনডিএ-র সঙ্গে জোট ভাঙার পর বিধানসভার স্পিকার পদ ছাড়তে হয় বিজয় সিনহাকে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যপাল কুমারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন এবং নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত তাকে ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকতে বলেছেন। রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর রাজভবন থেকে ফিরে সাংবাদিকদের নীতীশ বলেন, আমি আজ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। তিনি বলেন, ‘মহাজোট’ থেকে আলাদা হয়ে নতুন জোট গঠন করবেন।

জনতা দলের (ইউনাইটেড) সভাপতি নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বিহারে বিজেপির ইনচার্জ বিনোদ তাওদে বলেছেন, “আজ অনুষ্ঠিত আইনসভা দলের বৈঠকে, বিজেপি বিধায়করা রাজ্যে এনডিএ সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেডি(ইউ) প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে। বিজেপি রাজ্য ইউনিটের সভাপতি সম্রাট চৌধুরীকে আইনসভা দলের নেতা এবং বিজয় সিনহাকে উপনেতা নির্বাচিত করা হয়েছে।