“সবার জন্য সমান ব্যাবস্থা”, পুজোর দিনগুলিতে কড়া নজরদারি নিয়ে অ্যাকশন মুডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা !!

বর্তমানে দুর্গা পুজো আর ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়না। বরং মহালয়া পেরোতে না পেরোতেই আগে ভাগে শুরু হয়ে যায় পুজো পরিক্রমা। শ্রীভূমি, সুরুচি সংঘ, চেতলা এসবের মতো বড় বড় দুর্গা মণ্ডপের উদ্বোধন তো মহালয়াতেই হয়ে যায়। আর এই বছর চোখে পড়ার মতো ভিড় উপচে পরছে সমস্ত পুজো মণ্ডপ গুলিতে।

তিলোত্তমা নগরী সেজে উঠছে আলোর রোশনাই তে। তবে নিরাপত্তায় কিন্তু কোনো কমতি নেই। যেমন মানুষের ভিড় ঠিক তেমনই পুলিশ প্রশাসন নেমে পরেছে এই ভিড় সামলে কড়া নিরাপত্তা প্রদান করতে। নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সোমবার, মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কোনও কোনও নেতানেত্রী পাইলট লাগিয়ে পুজো দেখতে যান আপত্তি আমাদের নেই। কিন্তু তার জন্য রাস্তা বন্ধ হবে না। কোনওরকম বিশেষ কেয়ার, কেউ বন্ধ করে দিল রাস্তা, সেটা যেন না হয়। আমি যদি কোনও রাস্তা বন্ধ দেখি নিজেই অ্যাকশন নেব।”

দায়িত্বে থাকবেন কতো জন পুলিশ দেখে নিন

১৬ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন দায়িত্বে। সঙ্গে ৮২ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসারও থাকছেন। এছাড়া ২০০ জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার থাকবেন নজরদারিতে। ৩০ টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে শহরের বিভিন্ন জায়গায়। শহরে থাকবে ১৬টি ক্যুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি। এছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন থাকবে পুলিশ। চতুর্থী থেকেi এই নিরাপত্তা কড়া ভাবে প্রদান করা হবে। চতুর্থীর দিন থাকছে ৪ হাজার পুলিশ কর্মী। পঞ্চমী থেকে নবমী পর্যন্ত শহরে মোতায়েন থাকবে ৮ হাজার পুলিশ। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে থাকবেন ৬ হাজার পুলিশ। ৫১টি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে শহরে নজরদারি জন্য।

সব মিলিয়ে এবারের দুর্গা পুজোর আনন্দ যেমন তাড়াতাড়ি শুরু হয়েছে তেমনই নিরাপত্তাও কড়া ভাবেই শুরু হয়েছে। পুজোর সময়ে শহরে প্রায়শই দেখা যায় কোনো না কোনো ভাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। আর এতো বেশি মানুষের ভিড়, দোকান পাঠ, যানবাহন সব মিলিয়ে শহরে দারুন এক কোলাহলের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পুজোর আনন্দের মাঝে যদি এই পরিস্থিতি নিরাপত্তা সহকারে প্রশাসন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাহলে হয়তো মানুষের সুবিধেই হবে।