ফের দুর্ঘটনা ঘটলো মা উড়ালপুলে, বেপরোয়া গতিতে আসা গাড়িটি ধাক্কা মারে ডিভাইডারে, আহত গাড়ির চালক !!

আরো একবার দূর্ঘটনা ঘটলো মা উড়ালপুলে। বিলাস বহুল গাড়িটি ধাক্কা মারে ডিভাইডারে। এর পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। তবে স্থানীয় দের চেষ্টা তেই কোনো রকমে গাড়ি থামিয়ে বাইরে বের করে আনা হয় গাড়ির চালক কে। তবে গাড়ির চালক ছাড়া আর কোনো যাত্রী গাড়িটিতে ছিলো না বলেই জানা যায়।

কিভাবে ঘটলো অ্যাকসিডেন্ট 

একটি বিলাস বহুল গাড়ি বেপরোয়া গতিতে আসছিল মা উড়ালপুলের দিকে। গতি সামলাতে না পেরে গাড়িটি ধাকাক মারে ডিভাইডারে। ধাক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে সিগন্যালের পোস্ট উপড়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে। শুধু তা-ই নয়, ডিভাইডার থেকে প্রায় ৪-৫ ফুট উঁচুতে উঠে যায় গাড়িটি। ওই অবস্থায় গাড়িটি আটকে যায়। গাড়ির ভেতরে চালক ছিলেন। রাস্তা দিয়ে পেরনো অন্যান্য গাড়ির চালকরা গাড়ি থামিয়ে তাঁকে কোনওক্রমে গাড়ি থেকে বের করেন। সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের অফিসাররা আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন তাঁরা। দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক রক্তাক্ত হয়েছেন। তাঁর হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত রয়েছে। ঘটনার জেরে ফ্লাইওভারের দু’দিকেই যানজট সৃষ্টি হয়।

এর কয়েক দিন আগেই অবশ্য এই একই উড়ালপুলে দুর্ঘটনার কবলে পরে  বলি হয়ে ছিলেন সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের এক পড়ুয়া। তার সাথেই গুরুতর জখম হন এক তরুণী-সহ ৪ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের CMRI হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রাত সাড়ে বারোটার সময় সায়েন্স সিটির সামনে উড়ালপুলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার ও ল্যাম্পপোস্টে সজোরে ধাক্কা মারে পার্ক সার্কাসের দিক থেকে চিংড়িঘাটার দিকে যাওয়া গাড়িটি। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়িটিকে গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে সকলকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চালকের আসনে থাকা সেন্ট জেভিয়ার্সের পড়ুয়া ১৯ বছরের নীহার আগরওয়ালের। দুর্ঘটনার জেরে রাতে মা উড়ালপুলে প্রায় ২ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

 গতির শিকার মা উড়ালপুলে

এই ঘটনার পর আবার গতকাল গতির শিকার ওই একই উড়ালপুলে। প্রাথমিক সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা যায় মাত্রারিক্ত গতির ফলেই দুর্ঘটনা টি ঘটে। গাড়িটি যাচ্ছিল পার্ক সার্কাস থেকে চিংড়িঘাটার দিকে, তবে গতি এতই বেশি ছিল যে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ  হারিয়ে বিপরীত লেনে চলে আসে। অর্থাৎ চিংড়িঘাটার থেকে পার্ক সার্কাস যাওয়ার দিকে।